বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, নভেম্বরে সম্ভব না হলেও জাতীয় নির্বাচনের আগে যেকোনো সময়ে গণভোটের ঘোষণা জানাতে হবে। অন্যথায় আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
ইসিতে বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের বিষয়ে ৩ নভেম্বর আটটি দলের বৈঠক হয়। পাঁচ দফা দাবির মধ্যে ‘আদেশ জারি’ নিয়ে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। দেরি হয়ে যাচ্ছে, তাই দ্রুত জারির জন্য বলেছি। গণভোট সেই আদেশকে শক্তিশালী করবে। গণভোট যেনতেনভাবে হলে চলবে না। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হলে নানা জটিলতা তৈরি হবে। ভোটারদের মনোযোগ প্রার্থীদের দিকে চলে যাবে, গণভোট গৌণ হয়ে পড়বে। তাই নির্বাচন শুরুর আগে পৃথক দিবসে গণভোট আয়োজন করতে হবে।
ইসির প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সরকার নির্দেশ দিলে তারা বাস্তবায়ন করবে। এ কারণেই বৃহস্পতিবার সকালে আমরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিচ্ছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচনসহ পাঁচ দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি দল আজ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি দেবে। আজ বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে গণমিছিল করবে দলগুলো।
আট দলের মধ্যে রয়েছে – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।





