ঢাকা   বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’: ৪৭ আসন বণ্টন নিয়ে নতুন করে আলোচনা

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৬ এএম

‘১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’: ৪৭ আসন বণ্টন নিয়ে নতুন করে আলোচনা

ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭ আসন ফাঁকা রেখে জামায়াত, এনসিপিসহ ‘১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ ২৫৩ আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত করেছিল। ইসলামী আন্দোলন আলাদা হয়ে যাওয়ায় এখন ওই ৪৭ আসনে হিস্যা চায় এই ‘নির্বাচনী ঐক্যে’ থাকা অন্য দলগুলো। এ নিয়ে তাদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে গতকাল শনিবার দুপুরে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মামুনুল হক। এ সময় তিনি বলেন, শুরু থেকে যে প্রক্রিয়ায় আসন বণ্টন হয়েছে, ইসলামী আন্দোলন না আসায় সমঝোতার ভিত্তিতে একই প্রক্রিয়ায় বাকি আসনগুলো বণ্টিত হবে। যে আসনে যে দলের প্রার্থীকে সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করা হবে, সেখানে তাঁকে ১০–দলের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

এদিকে ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় আসন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি)। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এনসিপি শুরু থেকেই জামায়াতের কাছে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন চেয়েছিল। সেই লক্ষ্যে ৪৭টি আসনে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। পরে সমঝোতায় ৩০টি আসনে ছাড় পেয়েছে এনসিপি। এখন ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় এনসিপির আসন বৃদ্ধির বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছে দলটি।

এ বিষয়ে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন গতকাল বিকেলে বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলনের ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে তারা যদি নির্বাচনী ঐক্যে না থাকে, তাতে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। তারা বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন ঐক্যে এনসিপির কিছু আসন বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই আলোকে আলোচনাও চলমান।’

আসন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনায় আছে এবি পার্টি ও খেলাফত মজলিসও। গত রাতে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ‘আমাদের কিছু দাবিদাওয়া আছে, সেসব বিষয়ে আলোচনা চলছে।’

ফাঁকা আসনগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ১০ দলের লিয়াজোঁ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকের পর দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব বাকি আসনগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ‘১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ ২৫৩ আসনে সমঝোতার কথা জানায়। ওই দিন পর্যন্ত ঘোষিত সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াত পায় ১৭৯টি আসন, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি এবং ২টি করে আসনে বিডিপি ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টি প্রার্থী দেবে। বাকি দুটি দল—জাগপা ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কোনো আসনে প্রার্থী দেবে না। দল দুটি নির্বাচনী ঐক্যে শরিক থাকবে। তাদের পরে মূল্যায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন