ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোট ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘কোনো কোনো দলের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর আস্থা রয়েছে। কিন্তু ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তৎপরতা এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না। কেউ এটা করতে চাইলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’
বুধবার বিকালে বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার আমেনা প্লাজায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘প্রশাসন একটি দলের পক্ষে প্রভাবিত হলে অনেক কিছু তারা দেখবে না। জাল ভোট দেওয়া, কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা, কালো টাকার ছড়াছড়ির বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ভোটারের পরিচিতি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ধর্মের পোশাকের প্রতি সম্মান করি। সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলি না। কিন্তু পোলিং যেন পরিচয় নিশ্চিত হয় সেটা করতে হবে। একটি বিশেষ পোশাক জাল ভোট দেওয়ায় সহায়তা করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই দিন ধরে ভোটারদের থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বাঁশের লাঠি তৈরি করছে। দলের সঙ্গে যুক্তদের প্রিসাইডিং অফিসার দেওয়া হয়েছে।’
তিনি উন্নত ও নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর গড়তে ছয়টি বিষয়ে অঙ্গীকার করেন। এসবের মধ্যে রয়েছে, মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা; শিশুদের যথাযথ বিকাশ, প্রত্যেক গ্রামে খেলার মাঠ নির্মাণ, তরুণদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান ও মাদকের কবল থেকে মুক্তি; মেঘনা সেতু নির্মাণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের অধিকার, বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসীদের বিনিয়োগের পরিবেশ ও পর্যটন সম্ভাবনা তৈরি; কৃষক-শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা আদায়; প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশের সুরক্ষা; নারীর নিরাপত্তা ও নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর গড়ে তোলা।
সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদি হাসান পলাশ। এ সময় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি এমএ খালেকসহ বিএনপি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।






