কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত জনির মা হাসু খাতুন বাদী হয়ে শনিবার রাতে দৌলতপুর থানায় ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫–২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি কবরস্থানের পাশ থেকে জনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জনি ওই ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি জামালপুর গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে।
পরিবার ও পুলিশের তথ্যমতে, জনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শীর্ষ অস্ত্র ও মাদককারবারি সোহানের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি পাওনা টাকা নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সোহানের লোকজন জনিকে মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পিঠে একাধিক সেলাই দিতে হয়।
হামলার ভয়ে জনি সেদিন রাতেই মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় আশ্রয় নেন। পরদিন শনিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা আবার তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জনির দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ব্যক্তির মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আমরা রাতেই বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






