প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশ আইনজীবী অধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘৬ আগস্ট জুলাই কারাবন্দিদের মুক্তি দিবস’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় বললেন, “এনসিপি অন্তর্বর্তী সরকারের সহায়তা ছাড়া রাজনৈতিকভাবে দাঁড়াতে পারতো না এবং দলটিতে জামায়াতে ইসলামীর কৌশলগত প্রভাব রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে জামায়াত।”
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো রাজনৈতিক দল টেকে না। এনসিপির পরিণতিও ফ্রিডম পার্টির মতো হবে।
‘শেখ হাসিনার পতন বা জুলাই গণঅভ্যুত্থান হঠাৎ করে তৈরি হয়নি, এর পেছনে বহু মানুষের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগ রয়েছে। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকেই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রায় নয় মাস ধরে চলেছিল এবং সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ডাকসু নির্বাচন, মোদিবিরোধী আন্দোলন ও একতরফা নির্বাচন বর্জনের কর্মসূচিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্র-যুবকদের সম্পৃক্ততা বজায় ছিল’-উল্লেখ করেন নুর।
তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় যারা সামনের সারিতে ছিলেন, তারাই ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিলেন। বর্তমানে সরকারে থাকলেও ভবিষ্যতে অস্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আবারও তারাই প্রথম টার্গেট হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নুরুল হক নুর বিএনপি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধৈর্যের প্রশংসা করে বলেন, দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৭ বছর দলকে সংগঠিত রাখার কারণেই বিএনপি আজ দেশের সবচেয়ে সুসংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার পরিবর্তে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে জুলাইয়ের চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে।






