ফরিদপুরে মঞ্জুর এলাহিকে ‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে সিভিল সার্জন হিসেবে না মানার দাবিতে সিভিল সার্জনের কার্যালয় অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে সাড়ে দশটা দেড় ঘণ্টা ব্যাপী।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ তিনটি গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন।
ফরিদপুর সচেতন ছাত্র সমাজ -এর দাবি-সম্বলিত ব্যানার ও কিছু প্ল্যাকার্ড নিয়ে অনূর্ধ্ব ৩০ জন তরুণ শহরের ব্রাহ্ম সমাজ সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আসেন। তরুণরা ওই সময় অফিসে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দিয়ে কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দাবির সমর্থনে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
‘সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বাচিপের আজীবন সদস্য ডাক্তার এস এম মঞ্জুর এলাহিকে সিভিল সার্জন হিসেবে ফরিদপুরবাসী মানবে না’ – এ দাবিতে অবরোধ করা হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘ফ্যাসিবাদের আস্তানা ফরিদপুরে হবে না’, ‘ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও ফ্যাসিবাদের আস্তানা’, ‘ফরিদপুরে হবে না আওয়ামী লীগের ঠিকানা’, ‘ফরিদপুরের সিভিল সার্জন হিসেবে মঞ্জুর এলাহিকে মানি না, মানবো না’-প্রভৃতি স্লোগান দেন।
ওই সময় বক্তব্য দেন জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম রোমান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী রিয়াজ।
এ ব্যাপারে আন্দোলনকারীদের একজন খাইরুল ইসলাম রোমান বলেন, ফরিদপুরে ফ্যাসিবাদ কায়েমের জন্য মঞ্জুর এলাহিকে সিভিল সার্জন করা হয়েছে। এটা আমরা মেনে নেব না। কোনো অবস্থাতেই তাকে ফরিদপুরে আসতে দেওয়া হবে না। মঞ্জুর এলাহির আদেশ বাতিল করা না হলে ফরিদপুরে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, নতুন সিভিল সার্জন যিনি আসবেন তাকে যোগদান না করানোর জন্য এবং বর্তমানে যিনি আছেন তাকে বহাল রাখার দাবিতে সচেতন ছাত্র সমাজের ব্যানারে কিছু লোকজন মানববন্ধন করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এআর






