ঢাকা   বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

আইসিসি স্বীকার করে নিলো যে ভারত বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ নয়!

Authorনিউজ রুম

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

আইসিসি স্বীকার করে নিলো যে ভারত বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ নয়!

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু এবং নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির সাম্প্রতিক চিঠিটি বিশ্ব ক্রিকেটে এক চাঞ্চল্যকর বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমানের অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশের জাতীয় জার্সি পরাকে ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’ হিসেবে অভিহিত করে আইসিসি কার্যত একটি বিতর্কিত সত্যই স্বীকার করে নিয়েছে। ক্রীড়া বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের মতে, এই চিঠির মাধ্যমে আইসিসি পরোক্ষভাবে এই বার্তাই দিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত বাংলাদেশের জন্য কোনোভাবেই নিরাপদ রাষ্ট্র নয়।

আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে পাঠানো শর্তগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, তারা উগ্রপন্থীদের হুমকিকে দমানোর পরিবর্তে উল্টো বাংলাদেশকেই কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আইসিসির এই চিঠির তথাকথিত অজুহাতগুলোকে সামনে আনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে যে, আইসিসি নিজেই স্বীকার করে নিল ভারত এখন বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য একটি অনিরাপদ ভূমি। যদি একজন বিশ্বসেরা বোলার বা জাতীয় জার্সি পরিহিত সমর্থকদের সুরক্ষা দিতে কোনো রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়, তবে সেই দেশে বৈশ্বিক আসর আয়োজনের যোগ্যতা থাকে কি না, তা নিয়ে নেটিজেনরা ব্যঙ্গ করে আইসিসিকে ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল’ বলে ডাকছেন।

আইসিসি তার চিঠিতে দাবি করেছে যে, মোস্তাফিজ দলে থাকলে কিংবা লাল-সবুজ জার্সি গায়ে থাকলে সমর্থকদের ওপর হামলার শঙ্কা রয়েছে। এই বক্তব্যটি আসলে ভারতের আইনশৃঙ্খলা এবং সহনশীলতার চরম অবনতিরই এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইসিসি ভারতকে নিরাপদ প্রমাণ করার বদলে উল্টো সেখানকার অস্থিরতাকে জায়েজ করার চেষ্টা করছে। এতে আইসিসির নিরপেক্ষতা যেমন প্রশ্নের মুখে পড়েছে, তেমনি প্রমাণিত হয়েছে যে ভারতের মাটিতে বর্তমানে কোনো সুস্থ ক্রীড়া পরিবেশ অবশিষ্ট নেই।

আইসিসি যখন পরোক্ষভাবে ভারতের নিরাপত্তাহীনতাকে স্বীকার করে নিয়েছে, তখন বাংলাদেশের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। অধ্যাপক আসিফ নজরুল স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আইসিসি যেহেতু নিজেই ভারতের পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরেছে, তাই টুর্নামেন্ট অবিলম্বে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া উচিত। জাতীয় সম্মান এবং খেলোয়াড়দের জীবন হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে কোনো বৈষম্যমূলক আসরে অংশ নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

ক্রিকেট বিশ্বের ইতিহাসে এটিই প্রথম ঘটনা যেখানে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাহীনতাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর অন্যায় বিধি-নিষেধ চাপানোর চেষ্টা করছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, আইসিসি কি তার এই স্বীকারোক্তির পর টুর্নামেন্টের ভেন্যু পরিবর্তনের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নেবে, নাকি ভারতের রাজনৈতিক প্রভাবে মুখ বুজে নতি স্বীকার করবে?

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন