মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একাধিক মুখ বলে আলোচনায় মেতে উঠেছে জেলাবাসী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছটি আসনের ৫টিতে বিএনপি ও বিএনপি জোট এবং ১ টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে নির্বাচিত জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে আলোচনা উঠেছে সবার মুখে মুখে।
এছাড়া মন্ত্রী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের নাম নিয়েও আলোচনা আছে। তাঁর কর্মী সমর্থকরা এ নিয়ে বেশ আশাবাদী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাঁর মন্ত্রীত্ব দাবি জানিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়া হচ্ছে। তবে এক জেলা থেকে এত বেশি মন্ত্রী না দেওয়ার ‘খড়গে’ কাটা পড়তে পারেন তিনি।
মুশফিকুর রহমান সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ছিলেন সাবেক সচিব ও বিশ্ব ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক। খালেদা জিয়া তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গেও তাঁর রয়েছে ভালো সম্পর্ক। জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারি। দলটি বিএনপির সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করেছে। সেই হিসেবে তিনি মন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার। জোনায়েদ সাকীর মন্ত্রী হওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। খালেদ হোসেন মাহবুব বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক। দলের দু:সময়ে তিনি মাঠে ছিলেন।
এদিকে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে আসন ছাড়ার শর্তে মন্ত্রীত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁকে যদি দল ভেড়ায় তাহলে মন্ত্রিসভার তালিকায় নাম থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও রুমিন ফারহানা ভোটে জেতার পর সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন বিএনপিতে তাঁর ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে মনোনয়নসংক্রান্ত বিষয়ে সমঝোতার জন্য আসন ছাড়ার শর্তে মন্ত্রীত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিলো।






