রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রদলের মারধরে কানের পর্দা ফেটে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হল সংসদের সংস্কৃতি সম্পাদক জুলহাস ইসলামের।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান ভুক্তভোগী হল সংসদ নেতা মোঃ জুলহাস ইসলাম।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘ Finally got the medical report, my eardrum has burst. Thanks to JCD for making it happen.Probably this is good news for you and also for my haters . চাইলে উল্লাস করতে পারেন।
সেখানে তিনি আরও লিখেন, ‘স্পেশাল ধন্যবাদ আমার ছাত্রদলের আহ্বায়ক বন্ধুকে, তার প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নাই, তবে একদিন এটা নিয়ে গিলটি ফিল করবে আমার বিশ্বাস, যদি মনুষ্যত্ব থেকে থাকে। Pray for me, all my well-wishers.’
জানা যায়, একটি এডিটেড ফটোকার্ড শেয়ার করা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল বক্তব্যসংবলিত ছবিকে ঘিরে এই ঘটনার সূত্রপাত।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ঢাবি শিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমানকে কটূক্তি করে একটি ফটো কার্ড ফেসবুকে শেয়ার দিয়েছেন। এর প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের শিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
তবে ফ্যাক্টচেইক সংস্থা রিউমার স্ক্যানার দাবি করে, জাইমা রহমানকে জড়িয়ে ইশান চৌধুরী (Eshan Chowdhury) নামের একটি আইডি থেকে দেওয়া আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটি এডিট করে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের (Abdullah Al Mahmud) ফেসবুক আইডি বসিয়ে প্রচার করা হয়েছে।
এর আগে, ফটো কার্ড শেয়ারের ঘটনায় অভিযুক্ত শিবির নেতা থানায় উপস্থিত হন। তবে অভিযুক্ত ঢাবি শিবিরের নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দাবি করেন, সেটি ভুয়া। সেজন্য তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে এসেছেন।
পরে রাত ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে ঘটনাস্থলে আসেন জুবায়ের ও মোসাদ্দেক। এ সময় তাদের বেশ কয়েকবার মারধর করা হয়। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ধরেন। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের দুজনকে কিল-ঘুসি মারতে শুরু করেন। এ সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককেও মারধর করেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এছাড়াও ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। ল
পরে রাত ৯টা নাগাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম। পরে সোয়া ৯টা নাগাদ ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এসএম ফরহাদ শাখা শিবিরের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এরআগে মোসাদ্দেক ও জোবায়ের থানা থেকে বরে হয়ে আসেন।






