নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও/স্যাকমো) ডা. কামরুজ্জামান কামালের বিরুদ্ধে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি তার এমন কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত এই চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরেই অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তবে এবার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ পাওয়ার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সামাজিক ও বিভিন্ন মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
এলাকাবাসীর অনেকে জানান, একজন স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি হিসেবে তার কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত নৈতিকতার প্রশ্নই তোলে না, বরং স্বাস্থ্য খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাকেও ক্ষুণ্ন করে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত চিকিৎসককে তার পদ থেকে অপসারণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও/স্যাকমো) ডা. কামরুজ্জামান কামাল জানায়, এসব বিষয় নিয়ে আমি আপনার সাথে কথা বলবো না। আপনি কি এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য আমাকে ডেকেছেন? আপনার সাথে এসব বিষয় নিয়ে কেন কথা বলব? ভিডিওটিকে ভুয়া দাবি করে তিনি বলেন তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান জানান, “বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তা কখনোই প্রত্যাশিত নয়। এমন ঘটনার সত্যতা থাকলে প্রয়োজনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে এলাকাবাসী আশা করছেন, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






