যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় সহযোগিতা না করতে প্রতিবেশীদের সতর্ক করেছে ইরান। দেশটির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দাবি করেছেন, প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যায়, তাহলে তা যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিপন্থি হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণের অধিকার ইরানের রয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, নিজেদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা না দেয়ার বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে ইরান বারবার সতর্ক করেছে বলে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম জানিয়েছেন।
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগর-সংলগ্ন দেশগুলোকে আমরা সময় এবং সুযোগ দিয়েছি, যাতে তারা নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে। কিন্তু আমি এখন কথা বলার সময়ও এসব দেশে এক ডজনের বেশি মার্কিন ট্যাংকার বিমান রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনও এসব ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা কয়েকটি বিমানঘাঁটির রানওয়ে পুনর্নির্মাণ করছে। এটিও যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। কারণ, যুদ্ধবিরতির পর উভয় পক্ষেরই সব ধরনের শত্রুতামূলক তৎপরতা বন্ধ রাখার কথা।’
মোস্তফা খোশচেশম আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োজন মনে করলে হরমুজ প্রণালির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ-পরবর্তী একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির কথা বলছি। তাই এখানে অন্য কোনও বিষয় নয়, বরং ওই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।’






