ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা বাতিল করে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে সরকার: ফুয়াদ

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম

ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা বাতিল করে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে সরকার: ফুয়াদ

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বললেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের নীতিমালা বাতিল করে জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সরকার প্রকারান্তরে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে এবং ওষুধ ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

বিজয়নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আরও বলেন, ওষুধ মানুষের জীবন রক্ষার উপকরণ, কেবল ব্যবসার পণ্য নয়। তাই ওষুধনীতির কেন্দ্রে থাকতে হবে রোগী ও সাধারণ মানুষকে। সরকারকে ওষুধ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের নয়, জনগণের স্বার্থে অবস্থান নিতে হবে। দেশের ওষুধশিল্প আজ একটি বড় অর্থনৈতিক খাত। দেশে বর্তমানে প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ উৎপাদিত হলেও সাধারণ মানুষকে ওষুধ কিনতে গিয়ে উচ্চমূল্য দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা থাকা জরুরি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৪ সালের পরিপত্রে ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা-২০২৬’ এবং ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি-২০২৬’ প্রণয়ন করে তালিকাটি ২৯৭টিতে উন্নীত করে। কিন্তু বর্তমান সরকার গত ৩ আগস্ট এসব নীতিমালা বাতিল করে পুরোনো কাঠামোয় ফিরে গেছে।

এ সময় ডাক্তারদের প্রভাবিত করতে কোম্পানিগুলোর উপহার ও প্রণোদনা দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করার জন্য সরকারকে তাগিদ দেন তিনি।

এ সময় এবি পার্টি ওষুধ খাত সংস্কারে সাত দফা দাবি জানায়। দাবিগুলো হলো-

এক. বাতিল করা ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা-২০২৬’ ও ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি-২০২৬’ পুনর্বহাল করা।

দুই. অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা।

তিন. একই জেনেরিকের ওষুধের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক ব্র্যান্ড বৈচিত্র্য ও মূল্যবৈষম্য কমানো।

চার. ওষুধ কোম্পানির চিকিৎসকদের প্রভাবিত করার জন্য উপহার ও অনৈতিক প্রণোদনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

পাঁচ. অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া।

ছয়. দেশীয় ওষুধশিল্পের সক্ষমতা ও নতুন ওষুধ উদ্ভাবন সম্পর্কে জনগণকে তথ্য দিতে গণমাধ্যমকে সুযোগ করে দেওয়া।

সাত. এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী সময়ে দেশের ওষুধশিল্পকে বিদেশি বাজারের প্রতিযোগিতা থেকে সুরক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দীর্ঘমেয়াদি নীতি গ্রহণ করা।

এআর

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন