ঢাকা   শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতের অঙ্গীকার চিফ প্রসিকিউটরের

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতের অঙ্গীকার চিফ প্রসিকিউটরের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল, সেই লক্ষ্য অর্জনে এখনো নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউশন; উভয়পক্ষই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। আসামিপক্ষ আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আইনে যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা, এখানে তারা তা পাচ্ছে। একইভাবে ভিকটিম পরিবারগুলোর বক্তব্য, অভিযোগ, প্রমাণ ও সাক্ষ্য সংগ্রহেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’

রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসসকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে চিফ প্রসিকিউটর এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি আজ শনিবার (২৩ মে) প্রকাশিত হয়।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা আহত, নিহত, গুম বা খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতিটি পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রয়েছে।

তিনি জানান, আন্দোলনের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত থাকায় পরিবারগুলোর শোক তিনি গভীরভাবে অনুভব করেন।

তিনি বলেন, ‘জুলাই শহীদ পরিবারগুলো যেভাবে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করে, আমিও একইভাবে সেই প্রত্যাশা করি। প্রতিটি মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সাথে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ আমরা সম্পন্ন করেছি।’

চিফ প্রসিকিউটর জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি মামলার রায় হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায়ও রয়েছে। এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে একটি মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) অবস্থায় রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে আরো ২২টি মামলা বিচারাধীন। এসব মামলায় প্রতিদিন সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তি উপস্থাপন ও নথি পর্যালোচনার কাজ চলছে। পাশাপাশি ৩১টি মামলার তদন্ত চলছে। এসব মামলায় ব্যাপক নথি, প্রমাণ, সাক্ষ্য ও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে ১০৫টি মামলা। এছাড়া আরো প্রায় ৪৫০টি অভিযোগ প্রসিকিউশনের কাছে জমা রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো তদন্তে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতিটি মামলাই চ্যালেঞ্জিং। কারণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে জড়িত অনেকেই সমাজে প্রভাবশালী। পুলিশ, প্রশাসন, রাজনীতি ও সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন পেশার উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ সবসময় সহজ হয় না।’

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

 

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!