যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চাপ এলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
তিনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান বজায় রাখবে এবং কোনও পরিস্থিতিতেই সেনা প্রত্যাহার করা হবে না। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর বরাতে জানা গেছে, কাটজ দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, “দুই লাখ বাসিন্দা ফিরে আসবে না।”
তিনি লেবাননে ইসরায়েলের অভিযান ও হামলার কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষদের প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন।
কাটজ আরও বলেন, অতীতে লেবাননের যেসব এলাকায় ইসরায়েল ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ তৈরি করেছিল, সেখানে বেসামরিক জনগণের উপস্থিতির কারণে ইসরায়েলি সেনারা রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা হামলা ও বিভিন্ন ধরনের আক্রমণের মুখে পড়েছিল।
তিনি বলেন, “আমরা এমন পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে দেব না। আমরা সেনা প্রত্যাহার করছি না।” ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
দক্ষিণ লেবানন দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্র। সাম্প্রতিক সংঘাতের পর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সেনা অবস্থান এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রত্যাবর্তন নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পক্ষ দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সেনা অবস্থান বজায় রাখার ঘোষণা সেই প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও লেবানন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের কৌশলগত অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা
বার্তা বাজার/এস এইচ






