গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ইবোলা ভাইরাসের বর্তমান প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রয়টার্সের দেখা কঙ্গোর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি প্রদেশে ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, দেরিতে রোগ শনাক্ত হওয়া, সংঘাত এবং স্বাস্থ্যসেবার ওপর বাড়তি চাপের কারণে এবার ইবোলা আগের তুলনায় দ্রুত ছড়াচ্ছে। কঙ্গোতে এটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। এবার ছড়িয়েছে বুন্দিবুগিও স্ট্রেইনের ভাইরাস, যার বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রাদুর্ভাবটিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবেশী উগান্ডাতেও ইবোলা শনাক্ত হয়েছে।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশে চলতি প্রাদুর্ভাবের সংক্রমণ জানুয়ারি বা তারও আগে শুরু হয়ে থাকতে পারে।
জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত সেখানে পাঁচ শতাধিক বেশি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়।
আক্রান্ত এলাকায় চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে রোগীদের শনাক্ত, পৃথক রাখা এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
কঙ্গো সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম আফ্রিকার ২০১৪-১৬ সালের ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পর এটিই সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বড় প্রাদুর্ভাব। ওই সময় গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে ২৮ হাজার ৬১৬ জন আক্রান্ত এবং ১১ হাজার ৩১০ জন মারা যান।
বর্তমান প্রাদুর্ভাবে তিন মাসেরও কম সময়ে মৃতের সংখ্যা ২ হাজারে পৌঁছেছে।
মাত্র এক মাসেরও কম সময়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার থেকে বেড়ে ২ হাজার হয়েছে। এতে ইবোলার দ্রুত বিস্তারের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে।
বার্তা বাজার/ আইকে






