ঢাকা   বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ভোগড়া বাইপাস থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত ৪০ কিমি এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১০:০৫ এএম

ভোগড়া বাইপাস থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত ৪০ কিমি এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট

ভোগড়া বাইপাস থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত ৪০ কিমি এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢলে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তরবঙ্গগামী লাখো যাত্রী।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকেই মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড়, সফিপুর, কালিয়াকৈর, গোড়াই ও মির্জাপুর অংশে যানবাহনের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করে। কোথাও কোথাও এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার পথও অতিক্রম করতে পারেনি যানবাহন।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হওয়ায় একযোগে বাড়ির পথে রওনা দেন শ্রমিক ও চাকরিজীবীরা। একই সময়ে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ধীরগতির যান চলাচল শুরু হয়। পরে সেই চাপ দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।

যাত্রীদের অভিযোগ, যানজটের পাশাপাশি থেমে থেমে বৃষ্টি এবং অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে ঈদযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেক পরিবারকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বসে থাকতে হয়েছে। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটেও পড়েন অনেকে। কয়েকটি পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

চন্দ্রা এলাকায় আটকে থাকা এক বাসচালক বলেন, সন্ধ্যার পর থেকেই গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। এখন এক ঘণ্টায় সামান্য পথও যাওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

অন্যদিকে কয়েকজন যাত্রী জানান, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যেতে যেখানে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে মঙ্গলবার রাতে একই পথে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের বেলায় মির্জাপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত যান চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও রাত ৯টার পর কালিয়াকৈর-মির্জাপুর অংশে চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্তও থেমে থেমে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।

গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে মানুষ ও যানবাহনের চাপ হঠাৎ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মাঠে কাজ করছেন।

হাইওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা জানান, মহাসড়কে কোথাও যানবাহন বিকল হওয়া, অতিরিক্ত চাপ এবং বিভিন্ন পয়েন্টে ধীরগতির কারণে এই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যরা রাতভর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!