বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগের স্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার তদন্ত কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং সাকিবসহ অভিযুক্ত ১৫ জনের বিরুদ্ধে দ্রুতই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, “শেয়ারবাজারে জালিয়াতি করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সাকিব আল হাসানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
এর আগে ২০২৫ সালের ১৭ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। সাকিবের পাশাপাশি এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ. মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাবেক এই এমপির বিরুদ্ধে শেয়ারবাজার কারসাজি ছাড়াও অবৈধ জুয়ার ব্যবসা পরিচালনা, স্বর্ণ চোরাচালান, ব্যবসায়ীদের অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্বাচন কমিশনে সম্পদের তথ্য গোপনের মতো আরও বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগের অনুসন্ধানও চলমান রয়েছে। আর্থিক অনিয়মের এসব অভিযোগ ওঠার পর আগেই বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সাকিবের সব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ বা জব্দ করেছিল।






