২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ‘গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের’ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সাআদ বিন জাকির।
তিনি বলেন, ‘শাপলা চত্বরে রাতের অন্ধকারে পরিচালিত সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড ছিল পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় বর্বরতা। এ ঘটনায় যারা সরাসরি জড়িত ছিল, তাদের পাশাপাশি যারা নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্র করেছে কিংবা গণহত্যাকে বিভিন্নভাবে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে, তাদেরও বিচারের সম্মুখীন করতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা ৬টায় পুরানা পল্টনে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে ‘শাপলার শহীদদের স্মরণে’ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ছাত্র জমিয়ত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সহসভাপতি সাইফ বিন জামালের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক ছাব্বিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী।
সাআদ বিন জাকির বলেন, ‘তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে শাপলার শহীদদের নিয়ে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন, তা জাতির বিবেককে আজও নাড়া দেয়। অথচ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও তথ্যপ্রমাণে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনকে শাপলা চত্বরে শহীদ করার তথ্য উঠে এসেছে। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে দাবি করেন তিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘৫ মে’র হত্যাকাণ্ড এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়। এটি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। তাই জাতির স্বার্থে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের রাষ্ট্রীয় বর্বরতা বন্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
আলোচনা সভা শেষে শাপলার শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






