সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন যে, দুদকের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আমলের মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে হেয় করতেই নিজের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ বুধবার নিজের বিরুদ্ধে দুদকে আনা অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে হওয়া বিভিন্ন পদোন্নতি ও বদলির ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তার দাবি, এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে তার কোনো অনিয়মের সম্পর্ক নেই।
মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে তার পরিবারকে হেয় এবং চরিত্রহননের উদ্দেশ্যেই এসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সাবেক এই উপদেষ্টা। একই সঙ্গে দুদককে দলীয় কাজে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে সংস্থাটির কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আসিফ মাহমুদ।
দুদক চেয়ারম্যানের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দুদকের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আশা করেছিলাম এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুদকেরও একটা সংস্কার হয়েছিল। দুদকের দুর্নীতি দমন কমিশন যে অধ্যাদেশ হয়েছিল, সেটাকে বিএনপি সরকার এসে বাতিল করে দিলো। আবারও একটা দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করা হলো এবং সেই দুদক আবারও রাজনৈতিক কায়দায় পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, তারা খুবই স্পষ্টভাবে রাজনৈতিক কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হয়রানি করার লক্ষ্যেই এই অনুসন্ধানটা শুরু করেছে। এই অনুসন্ধানের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ রিজন এখানে ছিল না। তারা যদি জাস্ট ডেটগুলো থ্রু করত, যে কোন তারিখে পদোন্নতি হয়েছে, তাহলে আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করার এখানে আসলে কোন সুযোগ নেই।’
এই অনুসন্ধানকে ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অংশ বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করছি এটা শুধুমাত্র মিডিয়া ট্রায়াল করার লক্ষ্যে করা হয়েছে।’
এর আগে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও সরকারি কেনাকাটাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করার কথা জানিয়েছিল দুদক। তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সেগুলোর জবাব দিতে আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ।






