ঢাকা   শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ফেনীতে যুবলীগ কর্মীর গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম

ফেনীতে যুবলীগ কর্মীর গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) সকালে ওই ইউনিয়নের নুর আহাম্মদ মাস্টার বাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জোবায়ের হোসেন পারভেজ নিজকুঞ্জরা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের পর ডজনখানেক মামলায় পারভেজ ও একই এলাকার মামুন দীর্ঘদিন হাজতে ছিলেন। সে সময় আদালতের বিভিন্ন ফি এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় পারভেজ একাই বহন করলেও পরবর্তীতে মামুন তাকে কোনও টাকা দেননি। এরপর তারা দুজন হাজত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর স্থানীয় একটি দোকান নিয়ে তাদের মধ্যে নতুন করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে পারভেজ ও মামুনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজ একটি লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। পরে রাতেই বিষয়টি স্থানীয় ও বাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে মীমাংসা করে দেন।

নিহতের বাবা আবু তাহের জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে সবশেষ তিনি ছেলে জোবায়ের হোসেন পারভেজকে দেখেন। শনিবার সকালে নিজ বাড়ির সামনে তার গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুনের সঙ্গে দোকান সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সম্প্রতি পারভেজের ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়েছিল। ওই বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি তাদের।

ছাগলনাইয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু তাহের জানান, নিহত পারভেজ ও অভিযুক্ত মামুন এবং শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা হাজতে ছিলেন। জামিনে বের হয়ে আসার পর উভয়ের মধ্যে বিরোধ বেড়েছে। ওই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা এমনটাই দাবি করছে। মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন