ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী স্রুইঘাট এলাকায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তেলের গোডাউন, বসতঘর, মুদি দোকান, খাবার হোটেলসহ মোট নয়টি স্থাপনা। এতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (২০ গস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে দৌলতখান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্লুইজঘাট এলাকার বেড়িবাঁধে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনে দুটি তেলের গোডাউন, দুটি বসতঘর, দুটি মুদি দোকান, দুটি খাবার হোটেল এবং একটি জালের গোডাউন পুড়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় তেল ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিনের গোডাউন থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তেলের গোডাউন, বসতঘর, মুদি দোকান, খাবার হোটেল ও জালের গোডাউন সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে গোডাউনগুলোতে কী পরিমাণ তেল মজুত ছিল, তার হিসাব প্রাথমিকভাবে বলতে পারেননি ব্যবসায়ীরা।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শাহাবুদ্দিনসহ কয়েকজন স্রুইঘাটের বেড়িবাঁধে চোরাই গোডাউন বানিয়ে তেল মজুত করে ব্যবসা করতেন। তাদের কারণে আজ দুটি বসতঘর, দুটি মুদি দোকান ও দুটি খাবার হোটেল পুড়ে গেছে। ওই ক্ষতিগ্রস্তরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কিন্তু তেলের গোডাউনের মালিকরা ঠিকই চোরাই তেলের ব্যবসা করে পুষিয়ে উঠতে পারবেন।
দৌলতখান উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খন্দকার মেরাজুর ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দৌলতখান ও ভোলা সদরের ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।






